
প্রতিবেদক, বিডিজেন

আজ বুধবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশের ৪ বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব এলাকায় এমন বৃষ্টি হতে পারে। গতকাল মঙ্গলবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হয়। এর মধ্যে ফেনীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এটি চলতি বছরে ওই অঞ্চলের রেকর্ড বৃষ্টি।
আবহাওয়া বিভাগের আজ দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে আজ সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।
২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে ভারী বৃষ্টি বলা হয়। বৃষ্টির পরিমাণ ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে তা অতিভারী বৃষ্টি।
আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, অতিভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি অঞ্চলের কোনো কোনো স্থানে ভূমিধসের আশঙ্কা আছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা মহানগরীতে এ সময় অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে বলেও সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছে।

আজ বুধবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশের ৪ বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব এলাকায় এমন বৃষ্টি হতে পারে। গতকাল মঙ্গলবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হয়। এর মধ্যে ফেনীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এটি চলতি বছরে ওই অঞ্চলের রেকর্ড বৃষ্টি।
আবহাওয়া বিভাগের আজ দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে আজ সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।
২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে ভারী বৃষ্টি বলা হয়। বৃষ্টির পরিমাণ ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে তা অতিভারী বৃষ্টি।
আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, অতিভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি অঞ্চলের কোনো কোনো স্থানে ভূমিধসের আশঙ্কা আছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা মহানগরীতে এ সময় অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে বলেও সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”