
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে জর্ডানের নুরাল ইসলাম নামে এক পোশাক কারখানায় চাকরি নিয়ে গিয়েছিলেন জান্নাতুন (ছদ্মনাম)। সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় তাকে আটক করে প্রথমে জেলে পাঠানো হয়, তারপর দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, অভিযোগ করেছেন জর্ডান ফেরত ওই নারী।
তিনি বলেন, বোয়েসেলের মাধ্যমে জর্ডান গিয়েছিলাম। তিন বছরের বেশি সময় থাকার পর হুট করে [নুরাল ইসলাম] কোম্পানিতে পুলিশ এসে আমাদের আটক করে। তারপর এক কাপড়ে জেলে নেওয়া হয় এবং একবেলা খাবার দেয় তারা। জেল থেকেই পুলিশ আমাদের বিমানে উঠিয়ে দেয়। আমরা কারও সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারিনি। অন্যরা বাংলাদেশি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও সেভাবে কেউ এগিয়ে আসিন। কোম্পানির কাছে আমাদের পাওনা আছে। এ বিচার কার কাছে দিব।’’
গত ১ ডিসেম্বর শুধু তিনি একা নন, নুরাল ইসলাম কোম্পানির প্রায় ২০ জন গার্মেন্টসকর্মী এভাবে জেল খেটে দেশে ফেরত এসেছেন। পরে তাদের কয়েকজন নিজেদের পাওনাসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের কার্যালয়ে এসেছিলেন। এ সময় বিডিজেন প্রতিবেদকের সঙ্গে একাধিক জর্ডান ফেরত প্রবাসীর সঙ্গে কথা হয়।

জান্নাতুন বলেন, ‘‘আসলে আমরা জানতে বা বুঝতে পারিনি কেন পুলিশ ধরে নিয়েছে। পরে জানতে পারি, আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এসব কিছুই ভালোভাবে বুঝি না। আকামা বা সব বিষয় আমাদের কোম্পানি করে দেওয়ার কথা। কারণ আমরা বোয়েসেলের মাধ্যমে ওখানে কাজ করতে গিয়েছিলাম।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘দেশে আসার পর বোয়েসেলে গিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের জন্য কাজ করবে বলে সেভাবে কিছু বলছে না বরং শুধু আশ্বাস দিচ্ছে যে, একটা দরখাস্ত দিয়ে যাও আমরা দেখব।’’
জান্নাতুন বলেন, ‘‘এক কাপড়ে ছিলাম সেটা পরেই আসতে হয়েছে। কোম্পানি থেকে শেষ মাসের বেতন পাব, সেটাও পাইনি। আমাদের জামা–কাপড়সহ প্রয়োজনীয় আরও কিছু জিনিসপত্র ছিল, কিন্তু কিছুই নিয়ে আসতে পারিনি। আগেও বেতন থেকে ১৭ টাকা ৭৫ পয়সা (জর্ডানি মুদ্রা) কেটে নেওয়া হতো। জেল খেটে দেশে আসার পার মান–সম্মান সবই গেল।’’
তিনি বলেন, ‘‘বোয়েসেলের মাধ্যমে আমরা জর্ডান গেছি। আমাদের আকামার মেয়াদ শেষ হয়েছে এটা আমরা বুঝিনি। এসব সব কোম্পানির করার কথা ছিল। তাহলে আমরা কেনো জেল খাটব? আমরা কেন বেতন পাব না? আমাদের দোষটা কোথায়? কোম্পানির কাছ থেকে লাখের বেশি টাকা পাওনা আছে। এসব বিচার কার কাছে দিব।’’
‘‘কোম্পানি যদি সিকিউরিটি না দিতে পারে তাহলে কেন আমাদের বিদেশ পাঠানো হয়। বিদেশে ছেলেরা অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু আমরা মেয়ে মানুষেরা সব পারি না।” লাভলি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন। “আমি অসুস্থ ছিলাম তাও জেলে রাখা হয়েছে। আমার প্রেসার বেড়ে গিয়েছিল নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়েছে। এ ছাড়া, জেলে সেভাবে খাবারও দেওয়া হয়নি”, যোগ করেন তিনি।
জান্নাতুন বলেন, পারিবারিকভাবে অসহায় ছিলাম তাই বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু আসার পর পদে পদে ঝামেলায় পড়তে হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বোয়েসেলের মাধ্যমে বিদেশ পাঠানো সকল কর্মীর ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিক। আমরা তাদের আবেদন ও অভিযোগ যাচাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে জর্ডানের নুরাল ইসলাম নামে এক পোশাক কারখানায় চাকরি নিয়ে গিয়েছিলেন জান্নাতুন (ছদ্মনাম)। সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় তাকে আটক করে প্রথমে জেলে পাঠানো হয়, তারপর দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, অভিযোগ করেছেন জর্ডান ফেরত ওই নারী।
তিনি বলেন, বোয়েসেলের মাধ্যমে জর্ডান গিয়েছিলাম। তিন বছরের বেশি সময় থাকার পর হুট করে [নুরাল ইসলাম] কোম্পানিতে পুলিশ এসে আমাদের আটক করে। তারপর এক কাপড়ে জেলে নেওয়া হয় এবং একবেলা খাবার দেয় তারা। জেল থেকেই পুলিশ আমাদের বিমানে উঠিয়ে দেয়। আমরা কারও সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারিনি। অন্যরা বাংলাদেশি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও সেভাবে কেউ এগিয়ে আসিন। কোম্পানির কাছে আমাদের পাওনা আছে। এ বিচার কার কাছে দিব।’’
গত ১ ডিসেম্বর শুধু তিনি একা নন, নুরাল ইসলাম কোম্পানির প্রায় ২০ জন গার্মেন্টসকর্মী এভাবে জেল খেটে দেশে ফেরত এসেছেন। পরে তাদের কয়েকজন নিজেদের পাওনাসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের কার্যালয়ে এসেছিলেন। এ সময় বিডিজেন প্রতিবেদকের সঙ্গে একাধিক জর্ডান ফেরত প্রবাসীর সঙ্গে কথা হয়।

জান্নাতুন বলেন, ‘‘আসলে আমরা জানতে বা বুঝতে পারিনি কেন পুলিশ ধরে নিয়েছে। পরে জানতে পারি, আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এসব কিছুই ভালোভাবে বুঝি না। আকামা বা সব বিষয় আমাদের কোম্পানি করে দেওয়ার কথা। কারণ আমরা বোয়েসেলের মাধ্যমে ওখানে কাজ করতে গিয়েছিলাম।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘দেশে আসার পর বোয়েসেলে গিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের জন্য কাজ করবে বলে সেভাবে কিছু বলছে না বরং শুধু আশ্বাস দিচ্ছে যে, একটা দরখাস্ত দিয়ে যাও আমরা দেখব।’’
জান্নাতুন বলেন, ‘‘এক কাপড়ে ছিলাম সেটা পরেই আসতে হয়েছে। কোম্পানি থেকে শেষ মাসের বেতন পাব, সেটাও পাইনি। আমাদের জামা–কাপড়সহ প্রয়োজনীয় আরও কিছু জিনিসপত্র ছিল, কিন্তু কিছুই নিয়ে আসতে পারিনি। আগেও বেতন থেকে ১৭ টাকা ৭৫ পয়সা (জর্ডানি মুদ্রা) কেটে নেওয়া হতো। জেল খেটে দেশে আসার পার মান–সম্মান সবই গেল।’’
তিনি বলেন, ‘‘বোয়েসেলের মাধ্যমে আমরা জর্ডান গেছি। আমাদের আকামার মেয়াদ শেষ হয়েছে এটা আমরা বুঝিনি। এসব সব কোম্পানির করার কথা ছিল। তাহলে আমরা কেনো জেল খাটব? আমরা কেন বেতন পাব না? আমাদের দোষটা কোথায়? কোম্পানির কাছ থেকে লাখের বেশি টাকা পাওনা আছে। এসব বিচার কার কাছে দিব।’’
‘‘কোম্পানি যদি সিকিউরিটি না দিতে পারে তাহলে কেন আমাদের বিদেশ পাঠানো হয়। বিদেশে ছেলেরা অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু আমরা মেয়ে মানুষেরা সব পারি না।” লাভলি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন। “আমি অসুস্থ ছিলাম তাও জেলে রাখা হয়েছে। আমার প্রেসার বেড়ে গিয়েছিল নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়েছে। এ ছাড়া, জেলে সেভাবে খাবারও দেওয়া হয়নি”, যোগ করেন তিনি।
জান্নাতুন বলেন, পারিবারিকভাবে অসহায় ছিলাম তাই বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু আসার পর পদে পদে ঝামেলায় পড়তে হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বোয়েসেলের মাধ্যমে বিদেশ পাঠানো সকল কর্মীর ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিক। আমরা তাদের আবেদন ও অভিযোগ যাচাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”