
বিডিজেন ডেস্ক

লিবিয়া ও তিউনিশিয়ায় আটকে পড়া মোট ১৬১ জন বাংলাদেশি অভিবাসী পৃথকভাবে দেশে ফিরেছেন।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) যৌথ উদ্যোগে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
প্রত্যাবর্তনকারীদের মধ্যে ১৪৩ জন লিবিয়া থেকে একটি চার্টার্ড বুরাক এয়ারের ফ্লাইটে (ইউজেড ০২২২) বুধবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
এর আগে, তিউনিশিয়া থেকে তুর্কি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে (টিকে-৭১২) ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন আটকে পড়া ১৮ জন বাংলাদেশি।
দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানান।
আরও পড়ুন
প্রত্যাবর্তনকারীদের বেশির ভাগই মানব পাচারকারীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাদের মাধ্যমে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর অভিপ্রায়ে অবৈধভাবে লিবিয়া ও তিউনিশিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। লিবিয়ায় থাকাকালে তাদের অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রত্যাবর্তনকারীদের অবৈধ অভিবাসনের বিপদ, বিশেষ করে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে বিপজ্জনক যাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
তিউনিশিয়া থেকে প্রত্যাবর্তন করা প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৫ হাজার ৪৫০ এবং লিবিয়া থেকে প্রত্যাবর্তনকারী প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকার পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ, চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে আইওএম।
ত্রিপোলির বাংলাদেশ মিশন এবং আইওএমসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন

লিবিয়া ও তিউনিশিয়ায় আটকে পড়া মোট ১৬১ জন বাংলাদেশি অভিবাসী পৃথকভাবে দেশে ফিরেছেন।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) যৌথ উদ্যোগে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
প্রত্যাবর্তনকারীদের মধ্যে ১৪৩ জন লিবিয়া থেকে একটি চার্টার্ড বুরাক এয়ারের ফ্লাইটে (ইউজেড ০২২২) বুধবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
এর আগে, তিউনিশিয়া থেকে তুর্কি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে (টিকে-৭১২) ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন আটকে পড়া ১৮ জন বাংলাদেশি।
দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানান।
আরও পড়ুন
প্রত্যাবর্তনকারীদের বেশির ভাগই মানব পাচারকারীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাদের মাধ্যমে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর অভিপ্রায়ে অবৈধভাবে লিবিয়া ও তিউনিশিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। লিবিয়ায় থাকাকালে তাদের অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রত্যাবর্তনকারীদের অবৈধ অভিবাসনের বিপদ, বিশেষ করে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে বিপজ্জনক যাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
তিউনিশিয়া থেকে প্রত্যাবর্তন করা প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৫ হাজার ৪৫০ এবং লিবিয়া থেকে প্রত্যাবর্তনকারী প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকার পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ, চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে আইওএম।
ত্রিপোলির বাংলাদেশ মিশন এবং আইওএমসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন
বৈঠক শেষে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যেসব পোস্টাল ব্যালট বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকার আসছে—বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে—কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে।…প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে।
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।