
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে তার পদ থেকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) লন্ডনে পৌঁছে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এদিন লন্ডনে পৌঁছান।
হুমায়ুন কবির বলেন, “আবিদা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে অনেকটা ‘আওয়ামীকরণ’ করে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে এই পদ থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
গত বছরের জানুয়ারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়েছিল। এর আগে, বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া, কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে তিনি আমেরিকা অনুবিভাগসহ বিভিন্ন শাখায় দায়িত্ব সামলেছেন।
সূত্র: ইউএনবি

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে তার পদ থেকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) লন্ডনে পৌঁছে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এদিন লন্ডনে পৌঁছান।
হুমায়ুন কবির বলেন, “আবিদা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে অনেকটা ‘আওয়ামীকরণ’ করে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে এই পদ থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
গত বছরের জানুয়ারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়েছিল। এর আগে, বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া, কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে তিনি আমেরিকা অনুবিভাগসহ বিভিন্ন শাখায় দায়িত্ব সামলেছেন।
সূত্র: ইউএনবি
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”