logo
খবর

বাংলাদেশে সোনা এখন আরও দামি

প্রতিবেদক, বিডিজেন১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
Copied!
বাংলাদেশে সোনা এখন আরও দামি
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম। চলতি বছর এই নিয়ে টানা ৬ বারে ১১ হাজার ৫২৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম। এখন ২২ ক্যারেটের সোনা কিনতে ক্রেতাদের ভরিপ্রতি দেড় লাখ টাকা গুনতে হবে।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে সোনার নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। 

এই দফায় ২২ ক্যারেটের ভরিতে ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস। এ ছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ১ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে দিতে হবে ১ লাখ ২২ হাজার ৫৭৭ টাকা। 

তবে সোনার দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। 

ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির প্রভাবে বিশ্বে সোনার বাজারে উর্ধ্বমুখী। এর প্রভাবে দেশের বাজারেও সোনার দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

আরও দেখুন

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭০ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭০ বাংলাদেশি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

৫ দিন আগে

লন্ডনে হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলা হাউস’

লন্ডনে হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলা হাউস’

তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

৫ দিন আগে

বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে আদিবাসী তরুণদের নেতৃত্বে নতুন উদ্যোগ ইউনেসকো-ক্রিহ্যাপের

বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে আদিবাসী তরুণদের নেতৃত্বে নতুন উদ্যোগ ইউনেসকো-ক্রিহ্যাপের

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।

৮ দিন আগে

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

১০ দিন আগে