
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ আজ রোববার (৭ জুন) ভোরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সেখানে উপস্থিত থেকে নিহতদের মরদেহ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিহতদের অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ অঞ্চলের জিবদিন এলাকায় গত ১১ মে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত হন দুই বাংলাদেশি রেমিট্যান্সযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম ও মো. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ।
শফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফসার আলী এবং আজেয়া খাতুন দম্পতির সন্তান। অপরদিকে, নিহত মো. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ একই জেলার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. আব্দুল কাদের এবং মাতার নাম নূরনাহার খাতুন।
তারা উভয়েই দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে কর্মরত ছিলেন এবং দেশে নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পরিবার ও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
গত শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে দুজনের মরদেহ বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট কিউআর-০৪২৭ বৈরুত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। পরবর্তীতে কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট কিউআর-০৬৪২ যোগে দুজনের মরদেহ আজ ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাস নিহত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে। দূতাবাস সংশ্লিষ্ট লেবানিজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্টিফায়েড পুলিশ রিপোর্ট, মরদেহ দেশে পাঠানোর অনুমতিপত্র এবং অন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
বাংলাদেশ সরকার লেবাননে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ আজ রোববার (৭ জুন) ভোরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সেখানে উপস্থিত থেকে নিহতদের মরদেহ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিহতদের অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ অঞ্চলের জিবদিন এলাকায় গত ১১ মে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত হন দুই বাংলাদেশি রেমিট্যান্সযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম ও মো. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ।
শফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফসার আলী এবং আজেয়া খাতুন দম্পতির সন্তান। অপরদিকে, নিহত মো. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ একই জেলার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. আব্দুল কাদের এবং মাতার নাম নূরনাহার খাতুন।
তারা উভয়েই দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে কর্মরত ছিলেন এবং দেশে নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পরিবার ও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
গত শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে দুজনের মরদেহ বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট কিউআর-০৪২৭ বৈরুত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। পরবর্তীতে কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট কিউআর-০৬৪২ যোগে দুজনের মরদেহ আজ ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাস নিহত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে। দূতাবাস সংশ্লিষ্ট লেবানিজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্টিফায়েড পুলিশ রিপোর্ট, মরদেহ দেশে পাঠানোর অনুমতিপত্র এবং অন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
বাংলাদেশ সরকার লেবাননে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”