ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ

প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্লাব ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল দল আবাহনী লিমিটেড। এর আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ২৩বার শিরোপা জিতেছে তারা। আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের ২৪তম শিরোপাটি জিতে নিয়েছে তারা।
২০১২-১৩ মৌসুমে লিস্ট ‘এ’ স্বীকৃতি পাওয়ার পর আবাহনীর সপ্তম শিরোপা এটি, যার মধ্যে ২০১৯-২০ আসর হয়েছিল টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। এই সময়ে অন্য কোনো দলের এত শিরোপা নেই। ঢাকার শীর্ষ লিগে এনিয়ে পঞ্চমবার শিরোপা জয়ের হ্যাটট্রিক করল আবাহনী।
সুপার লিগের আজকের ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ছিল ‘ডু অর ডাই’। যে জিতবে শিরোপা তাদেরই—এমন একটা সমীকরণ সামনে রেখেই খেলতে নেমেছিল দুই দল। সকালে টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়ে মোহামেডানকে ২৪০ রানেই আটকে রাখে আবাহনী। ২৪১ রানের লক্ষ্য সহজেই পেরিয়ে গেছে আবাহনী। ৪০.৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আবাহনী। জয়ের নায়ক অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। ৭৮ রান করে আবাহনীর জয়ে বড় অবদান তাঁরই। ১০৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে মোসাদ্দেক ১৩৫ রান যোগ করেই ম্যাচ নিজেদের দিকে টেনে নেন। মিঠুন অপরাজিত ছিলেন ৬৬ রানে।
বাঁচা-মরার ম্যাচে মোহামেডান অবশ্য আজ শক্তি হারিয়েছিল ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় না খেলায়। যদিও মোহামেডানের শুরুটা মন্দ ছিল না। রনি তালুকদার দ্রুতগতিতে রান তুলছিলেন। তিনি করেন ৪৫ রান। যদিও এক পর্যায়ে খেই হারায় মোহামেডানের ব্যাটিং। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ আর আরিফুল হকের দুই ফিফটি মোহামেডানকে ২৪০ রানে পৌঁছে দেয়। আবাহনীর পক্ষে মাসাদ্দেক ২ উইকেট নেন। ২ উইকেট নেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীও। মাহফুজুর, মেহরাব ও রিপন মণ্ডল—প্রত্যেকেই নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।
ব্যাটিংয়ে নেমে আবাহনী বেশ দ্রুতই ২ উইকেট হারিয়েছিল। পারভেজ হোসেন ইমন ২৮ আর শাহরিয়ার ১ রান করে ফেরেন। এরপর মেহরাবও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তবে জিশান আহমেদ ৫৫ রান করে একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। ১০৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলা আবাহনী এরপর জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মোসাদ্দেক আর মিঠুনের জুটিতে। মোহামেডানের নাসুম আহমেদ ৫৯ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
মোহামেডান: ৫০ ওভারে ২৪০/৭ (মাহমুদউল্লাহ ৫০, আরিফুল ৫০, রনি ৪৫, ফরহাদ ৪২; মোসাদ্দেক ২/৩৯, মুত্যুঞ্জয় ২/৪৬)।
আবাহনী: ৪০.৪ ওভারে ২৪৩/৮ (মোসাদ্দেক ৭৮*, মিঠুন ৬৬*, জিশান ৫৫, পারভেজ ২৮; নাসুম ২/৫৯)।
ফল: আবাহনী ৬ উইকেটে জয়ী।

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্লাব ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল দল আবাহনী লিমিটেড। এর আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ২৩বার শিরোপা জিতেছে তারা। আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের ২৪তম শিরোপাটি জিতে নিয়েছে তারা।
২০১২-১৩ মৌসুমে লিস্ট ‘এ’ স্বীকৃতি পাওয়ার পর আবাহনীর সপ্তম শিরোপা এটি, যার মধ্যে ২০১৯-২০ আসর হয়েছিল টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। এই সময়ে অন্য কোনো দলের এত শিরোপা নেই। ঢাকার শীর্ষ লিগে এনিয়ে পঞ্চমবার শিরোপা জয়ের হ্যাটট্রিক করল আবাহনী।
সুপার লিগের আজকের ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ছিল ‘ডু অর ডাই’। যে জিতবে শিরোপা তাদেরই—এমন একটা সমীকরণ সামনে রেখেই খেলতে নেমেছিল দুই দল। সকালে টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়ে মোহামেডানকে ২৪০ রানেই আটকে রাখে আবাহনী। ২৪১ রানের লক্ষ্য সহজেই পেরিয়ে গেছে আবাহনী। ৪০.৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আবাহনী। জয়ের নায়ক অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। ৭৮ রান করে আবাহনীর জয়ে বড় অবদান তাঁরই। ১০৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে মোসাদ্দেক ১৩৫ রান যোগ করেই ম্যাচ নিজেদের দিকে টেনে নেন। মিঠুন অপরাজিত ছিলেন ৬৬ রানে।
বাঁচা-মরার ম্যাচে মোহামেডান অবশ্য আজ শক্তি হারিয়েছিল ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় না খেলায়। যদিও মোহামেডানের শুরুটা মন্দ ছিল না। রনি তালুকদার দ্রুতগতিতে রান তুলছিলেন। তিনি করেন ৪৫ রান। যদিও এক পর্যায়ে খেই হারায় মোহামেডানের ব্যাটিং। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ আর আরিফুল হকের দুই ফিফটি মোহামেডানকে ২৪০ রানে পৌঁছে দেয়। আবাহনীর পক্ষে মাসাদ্দেক ২ উইকেট নেন। ২ উইকেট নেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীও। মাহফুজুর, মেহরাব ও রিপন মণ্ডল—প্রত্যেকেই নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।
ব্যাটিংয়ে নেমে আবাহনী বেশ দ্রুতই ২ উইকেট হারিয়েছিল। পারভেজ হোসেন ইমন ২৮ আর শাহরিয়ার ১ রান করে ফেরেন। এরপর মেহরাবও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তবে জিশান আহমেদ ৫৫ রান করে একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। ১০৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলা আবাহনী এরপর জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মোসাদ্দেক আর মিঠুনের জুটিতে। মোহামেডানের নাসুম আহমেদ ৫৯ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
মোহামেডান: ৫০ ওভারে ২৪০/৭ (মাহমুদউল্লাহ ৫০, আরিফুল ৫০, রনি ৪৫, ফরহাদ ৪২; মোসাদ্দেক ২/৩৯, মুত্যুঞ্জয় ২/৪৬)।
আবাহনী: ৪০.৪ ওভারে ২৪৩/৮ (মোসাদ্দেক ৭৮*, মিঠুন ৬৬*, জিশান ৫৫, পারভেজ ২৮; নাসুম ২/৫৯)।
ফল: আবাহনী ৬ উইকেটে জয়ী।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”