
বিডিজেন ডেস্ক

কেউ যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা জালিয়াতিতে জড়ালে তাকে আজীবনের জন্য দেশটিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ঢাকায় নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে ভিসা জালিয়াতি প্রতিরোধসহ অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করবে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে বলা হয়, ‘যারা ভিসা জালিয়াতিতে জড়িত, তাদের আজীবনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।’
একটি দেশের যদি সুরক্ষিত সীমান্ত না থাকে, তাহলে দেশটি আর জাতি হিসেবে টিকে থাকতে পারে না বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে বলা হয়, যারা ভিসা জালিয়াতিতে অংশ নেয় বা অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আনে ও আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা হবে।

কেউ যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা জালিয়াতিতে জড়ালে তাকে আজীবনের জন্য দেশটিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ঢাকায় নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে ভিসা জালিয়াতি প্রতিরোধসহ অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করবে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে বলা হয়, ‘যারা ভিসা জালিয়াতিতে জড়িত, তাদের আজীবনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।’
একটি দেশের যদি সুরক্ষিত সীমান্ত না থাকে, তাহলে দেশটি আর জাতি হিসেবে টিকে থাকতে পারে না বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে বলা হয়, যারা ভিসা জালিয়াতিতে অংশ নেয় বা অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আনে ও আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।