
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সচিবালয়ে দুই উপদেষ্টাকে ‘সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার আগে বিক্ষোভ করেছেন সরকারি কর্মচারীরা।
আজ মঙ্গলবার (৩ জুন) সকাল ১১টার পর সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে বাদামতলায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন কর্মচারীরা। এরপর তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সামনে অবস্থান নিয়ে কিছুক্ষণ বিক্ষোভ করেন।
‘সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে আজ অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে স্মারকলিপি দেবেন তারা।
একই দাবিতে গতকাল সোমবার তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে স্মারকলিপি দেন তারা।
এর আগে গত রোববার খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে স্মারকলিপি দেন কর্মচারীরা।
আন্দোলনরত কর্মচারী নেতারা চাকরি অধ্যাদেশ পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। সরকার তাদের দাবি মেনে না নিলে কোরবানির ঈদের পর কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

সচিবালয়ে দুই উপদেষ্টাকে ‘সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার আগে বিক্ষোভ করেছেন সরকারি কর্মচারীরা।
আজ মঙ্গলবার (৩ জুন) সকাল ১১টার পর সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে বাদামতলায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন কর্মচারীরা। এরপর তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সামনে অবস্থান নিয়ে কিছুক্ষণ বিক্ষোভ করেন।
‘সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে আজ অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে স্মারকলিপি দেবেন তারা।
একই দাবিতে গতকাল সোমবার তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে স্মারকলিপি দেন তারা।
এর আগে গত রোববার খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে স্মারকলিপি দেন কর্মচারীরা।
আন্দোলনরত কর্মচারী নেতারা চাকরি অধ্যাদেশ পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। সরকার তাদের দাবি মেনে না নিলে কোরবানির ঈদের পর কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।