
বিডিজেন ডেস্ক

জাতীয় ঐক্য সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। তারেক জানান, তার দল এককভাবে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘ দিনের শাসক শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর, গত ডিসেম্বরে তিনি লন্ডন থেকে দীর্ঘ দুই দশকের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরেন। শেখ হাসিনা তারেক রহমানের মা এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী, যারা এক সময় নিষিদ্ধ থাকলেও এখন বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দল দুটি একসঙ্গে সরকার পরিচালনা করেছিল। ২০২৪ সালের অস্থিরতায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের পোশাক শিল্প ও অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে জামায়াত পুনরায় অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ঐক্য সরকার গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশ একটি অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
সাক্ষাৎকারে তারেক বলেন, “আমি আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে কীভাবে সরকার গঠন করতে পারি? তাহলে বিরোধী দলে কারা থাকবে? তারা কতগুলো আসন পাবে তা আমি জানি না, তবে তারা যদি বিরোধী দলে থাকে, আমি আশা করি তারা একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখবে।”
তারেক রহমানের সহকারীরা জানিয়েছেন, বিএনপি ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। দলটি ২৯২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং বাকি আসনগুলো মিত্রদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। তারেক রহমান নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা না জানালেও বলেন, “আমরা আত্মবিশ্বাসী যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন আমাদের থাকবে।”
জনমত জরিপগুলোতে বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা দেখা গেলেও জামায়াত জোটের পক্ষ থেকে কঠিন চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই জোটে জেন-জিদের নিয়ে গড়া দল এনসিপিও রয়েছে, যারা হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে এসেছে।
শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে গত বছর ঢাকার একটি আদালত হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর। এই পরিস্থিতি চীনকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে।
জয়ী হলে ভারতের বদলে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়বেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত অংশীদার প্রয়োজন।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যারা আমাদের দেশের মানুষের জন্য উপযুক্ত প্রস্তাব দেবে, তাদের সবার সাথেই আমাদের বন্ধুত্ব থাকবে। কোনো নির্দিষ্ট দেশের সাথে নয়।”
কর্মসংস্থানের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা যদি সরকারে থাকি, তবে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আনতে হবে যাতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।”
শেখ হাসিনার সন্তানদের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, “যদি কেউ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় এবং জনগণ তাদের স্বাগত জানায়, তবে যে কারো রাজনীতি করার অধিকার আছে।”
এ ছাড়া মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা যতক্ষণ নিশ্চিত না হবে ততক্ষণ তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

জাতীয় ঐক্য সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। তারেক জানান, তার দল এককভাবে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘ দিনের শাসক শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর, গত ডিসেম্বরে তিনি লন্ডন থেকে দীর্ঘ দুই দশকের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরেন। শেখ হাসিনা তারেক রহমানের মা এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী, যারা এক সময় নিষিদ্ধ থাকলেও এখন বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দল দুটি একসঙ্গে সরকার পরিচালনা করেছিল। ২০২৪ সালের অস্থিরতায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের পোশাক শিল্প ও অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে জামায়াত পুনরায় অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ঐক্য সরকার গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশ একটি অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
সাক্ষাৎকারে তারেক বলেন, “আমি আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে কীভাবে সরকার গঠন করতে পারি? তাহলে বিরোধী দলে কারা থাকবে? তারা কতগুলো আসন পাবে তা আমি জানি না, তবে তারা যদি বিরোধী দলে থাকে, আমি আশা করি তারা একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখবে।”
তারেক রহমানের সহকারীরা জানিয়েছেন, বিএনপি ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। দলটি ২৯২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং বাকি আসনগুলো মিত্রদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। তারেক রহমান নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা না জানালেও বলেন, “আমরা আত্মবিশ্বাসী যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন আমাদের থাকবে।”
জনমত জরিপগুলোতে বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা দেখা গেলেও জামায়াত জোটের পক্ষ থেকে কঠিন চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই জোটে জেন-জিদের নিয়ে গড়া দল এনসিপিও রয়েছে, যারা হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে এসেছে।
শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে গত বছর ঢাকার একটি আদালত হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর। এই পরিস্থিতি চীনকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে।
জয়ী হলে ভারতের বদলে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়বেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত অংশীদার প্রয়োজন।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যারা আমাদের দেশের মানুষের জন্য উপযুক্ত প্রস্তাব দেবে, তাদের সবার সাথেই আমাদের বন্ধুত্ব থাকবে। কোনো নির্দিষ্ট দেশের সাথে নয়।”
কর্মসংস্থানের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা যদি সরকারে থাকি, তবে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আনতে হবে যাতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।”
শেখ হাসিনার সন্তানদের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, “যদি কেউ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় এবং জনগণ তাদের স্বাগত জানায়, তবে যে কারো রাজনীতি করার অধিকার আছে।”
এ ছাড়া মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা যতক্ষণ নিশ্চিত না হবে ততক্ষণ তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।