
বিডিজেন ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা আগামী ২৩ মার্চ চলতি মাসের বেতন পাবেন। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়েছে, সামরিক বাহিনীর কমিশন্ড/নন-কমিশন্ড অফিসারদের এ মাসের বেতন ভাতাদিও আগামী ২৩ মার্চ দেওয়া হবে। এ ছাড়া, অবসরপ্রাপ্ত পেনশনারদের এ মাসের অবসর ভাতা একই তারিখে দেওয়া হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ট্রেজারি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে বাংলাদেশ ট্রেজারি রুলসের অধীনে প্রণীত সাবসিডিয়ারি রুলস (এস.আর) ১১৩ (২) প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
পবিত্র রমজান মাস চলছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ মার্চ অথবা ১ এপ্রিল বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করা হবে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা আগামী ২৩ মার্চ চলতি মাসের বেতন পাবেন। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়েছে, সামরিক বাহিনীর কমিশন্ড/নন-কমিশন্ড অফিসারদের এ মাসের বেতন ভাতাদিও আগামী ২৩ মার্চ দেওয়া হবে। এ ছাড়া, অবসরপ্রাপ্ত পেনশনারদের এ মাসের অবসর ভাতা একই তারিখে দেওয়া হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ট্রেজারি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে বাংলাদেশ ট্রেজারি রুলসের অধীনে প্রণীত সাবসিডিয়ারি রুলস (এস.আর) ১১৩ (২) প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
পবিত্র রমজান মাস চলছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ মার্চ অথবা ১ এপ্রিল বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করা হবে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”