
বিডিজেন ডেস্ক

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ৬টা ৩৪ মিনিটে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় বাংলাদশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।
পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে সাড়ে ৬টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছলে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বোচ্চ কমান্ডার হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে তিন বাহিনীর প্রধানগণ স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানান প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা, কয়েকজন উপদেষ্টা ও তিন বাহিনীর প্রধান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলে বেজে উঠে করুণ সুর।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে জন্ম লাভ করে। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়কে স্মরণ করতে প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপিত হয়।

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ৬টা ৩৪ মিনিটে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় বাংলাদশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।
পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে সাড়ে ৬টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছলে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বোচ্চ কমান্ডার হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে তিন বাহিনীর প্রধানগণ স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানান প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা, কয়েকজন উপদেষ্টা ও তিন বাহিনীর প্রধান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলে বেজে উঠে করুণ সুর।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে জন্ম লাভ করে। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়কে স্মরণ করতে প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপিত হয়।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”