টি-টোয়েন্টি সিরিজ

প্রতিবেদক, বিডিজেন

শুরুটা ছিল আশা-জাগানিয়া। বুধবার রাতে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে শুরুতেই পাকিস্তানের ২ উইকেট ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশের বোলাররা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের স্কোরবোর্ড তখন সংগ্রহ মাত্র ৫। কিন্তু শুরুতেই ধাক্কা খাওয়া পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত তুলল ২০১ রান। টি-টোয়েন্টিতে এমন রান অহরহ তাড়া করা হলেও বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল যথেষ্টই চ্যালেঞ্জিং। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারা বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জই জানাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১৬৪ রানে গুটিয়ে গিয়ে সিরিজের প্রথম ম্যাচে লিটন দাসের দল হেরেছে ৩৭ রানে।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান (১৭ বলে) করে কিছুটা ঝড় তুলেছিলেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। অধিনায়ক লিটন ৩০ বলে করেছেন ৪৮। এর পাশাপাশি জাকের আলীর ২০ বলে ৩৬ ছাড়া বলার মতো কোনো সংগ্রহ নেই বাংলাদেশ দলের। পাকিস্তানি পেসার হাসান আলী ৩০ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ রানে ২ উইকেট হারানো পাকিস্তান দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় মোহাম্মদ হারিস ও সালমান আলী আগার ব্যাটে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে এ দুজন বাংলাদেশের বোলারদের ছিটকে ফেলেন ম্যাচ থেকে। এ জুটিতে আসে ৪৮ রান। হারিস-সালমান জুটির কল্যাণেই পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারালেও পাকিস্তান স্কোরবোর্ডে তোলে ৫২ রান।
হারিস করেছেন ১৮ বলে ৩১ রান। ফিফটি পেয়েছেন সালমান। ৩৪ বলে তিনি করেছেন ৫৬। হাসান নেওয়াজও ফিফটি পেয়েছেন। ৩২ বলে করেছেন ৫৪। শেষের দিকে শাদাব খানের ব্যাটও হেসেছে। খেলেছেন ২৫ বলে ৪৮ রানের ঝোড়ো এক ইনিংস। এমনকি ফাহিম আশরাফও ৬ বলে ১১ করেছেন এক ছক্কায়। দুই ফিফটি আর দুই ঝোড়ো ইনিংসে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০১ রান।
বাংলাদেশের ব্যবহার করা বোলাররা প্রায় সবাই ছিলেন খরচে। শরীফুল ইসলাম ৩ ওভার বোলিং করে পেয়েছেন ২ উইকেট। এ ছাড়াও শেখ মেহেদী, হাসান মাহমুদ, তানজিম সাকিব, রিশাদ হোসেন ও শামীম হোসেন প্রত্যেকেই পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।
২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে কখনোই লড়িয়ে মানসিকতার মনে হয়নি। তানজিদ হাসান তামিম ১৭ বলে ৩৭ রান করে আশা জাগিয়েছিলেন। লিটনের ব্যাটও বাংলাদেশকে কিছুটা লড়াইয়ে রেখেছিল। কিন্তু ইনিংস বড় করতে না পারায় কাজের কাজ কিছুই হয়নি। জাকের আলী ২০ বলে ৩৬ করলেও লড়াই করার মতো সঙ্গী তিনি পাননি। হাসান আলী ৩০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন, শাদাব খান নিয়েছেন ২ উইকেট। ফাহিম আশরাফ, খুশদিল শাহ আর সালমান আগা—প্রত্যেকে নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

শুরুটা ছিল আশা-জাগানিয়া। বুধবার রাতে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে শুরুতেই পাকিস্তানের ২ উইকেট ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশের বোলাররা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের স্কোরবোর্ড তখন সংগ্রহ মাত্র ৫। কিন্তু শুরুতেই ধাক্কা খাওয়া পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত তুলল ২০১ রান। টি-টোয়েন্টিতে এমন রান অহরহ তাড়া করা হলেও বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল যথেষ্টই চ্যালেঞ্জিং। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারা বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জই জানাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১৬৪ রানে গুটিয়ে গিয়ে সিরিজের প্রথম ম্যাচে লিটন দাসের দল হেরেছে ৩৭ রানে।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান (১৭ বলে) করে কিছুটা ঝড় তুলেছিলেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। অধিনায়ক লিটন ৩০ বলে করেছেন ৪৮। এর পাশাপাশি জাকের আলীর ২০ বলে ৩৬ ছাড়া বলার মতো কোনো সংগ্রহ নেই বাংলাদেশ দলের। পাকিস্তানি পেসার হাসান আলী ৩০ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ রানে ২ উইকেট হারানো পাকিস্তান দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় মোহাম্মদ হারিস ও সালমান আলী আগার ব্যাটে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে এ দুজন বাংলাদেশের বোলারদের ছিটকে ফেলেন ম্যাচ থেকে। এ জুটিতে আসে ৪৮ রান। হারিস-সালমান জুটির কল্যাণেই পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারালেও পাকিস্তান স্কোরবোর্ডে তোলে ৫২ রান।
হারিস করেছেন ১৮ বলে ৩১ রান। ফিফটি পেয়েছেন সালমান। ৩৪ বলে তিনি করেছেন ৫৬। হাসান নেওয়াজও ফিফটি পেয়েছেন। ৩২ বলে করেছেন ৫৪। শেষের দিকে শাদাব খানের ব্যাটও হেসেছে। খেলেছেন ২৫ বলে ৪৮ রানের ঝোড়ো এক ইনিংস। এমনকি ফাহিম আশরাফও ৬ বলে ১১ করেছেন এক ছক্কায়। দুই ফিফটি আর দুই ঝোড়ো ইনিংসে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০১ রান।
বাংলাদেশের ব্যবহার করা বোলাররা প্রায় সবাই ছিলেন খরচে। শরীফুল ইসলাম ৩ ওভার বোলিং করে পেয়েছেন ২ উইকেট। এ ছাড়াও শেখ মেহেদী, হাসান মাহমুদ, তানজিম সাকিব, রিশাদ হোসেন ও শামীম হোসেন প্রত্যেকেই পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।
২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে কখনোই লড়িয়ে মানসিকতার মনে হয়নি। তানজিদ হাসান তামিম ১৭ বলে ৩৭ রান করে আশা জাগিয়েছিলেন। লিটনের ব্যাটও বাংলাদেশকে কিছুটা লড়াইয়ে রেখেছিল। কিন্তু ইনিংস বড় করতে না পারায় কাজের কাজ কিছুই হয়নি। জাকের আলী ২০ বলে ৩৬ করলেও লড়াই করার মতো সঙ্গী তিনি পাননি। হাসান আলী ৩০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন, শাদাব খান নিয়েছেন ২ উইকেট। ফাহিম আশরাফ, খুশদিল শাহ আর সালমান আগা—প্রত্যেকে নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”