
বিডিজেন ডেস্ক

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) আটক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আরও ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে এই ক্ষমা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ঢাকায় নিয়োজিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস।
রোববার (১১ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
এর আগে কয়েক দফায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাজা মওকুফ করা হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এই মানবিক উদ্যোগ আমিরাত নেতৃত্বের সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও ন্যায়বোধের প্রতিফলন, একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের গভীর ও ভ্রাতৃসুলভ সম্পর্কের প্রতীক।”

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) আটক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আরও ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে এই ক্ষমা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ঢাকায় নিয়োজিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস।
রোববার (১১ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
এর আগে কয়েক দফায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাজা মওকুফ করা হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এই মানবিক উদ্যোগ আমিরাত নেতৃত্বের সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও ন্যায়বোধের প্রতিফলন, একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের গভীর ও ভ্রাতৃসুলভ সম্পর্কের প্রতীক।”
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।