
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সৌদি আরবে অপহরণের পর বাংলাদেশে বসে মুক্তিপণ আদায়—এমন চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. জিয়াউর রহমান (৪২)।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মাগুরার শালিখা উপজেলার শানাথীন হরিপুর বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সৌদি আরবের রিয়াদে গত ১২ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা রাসেল নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে অপহরণ করে। রাসেল প্রায় ২০ বছর ধরে সৌদি আরবে ব্যবসা করে আসছিলেন।
অপহরণের পর একটি অজ্ঞাত ইমো আইডি ও ভিওআইপি নম্বর থেকে রাসেলের বড় ভাই সাইফুল ইসলামের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না দিলে রাসেলকে হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হয়। চক্রটি অর্থ পাঠানোর জন্য বিকাশ ও নগদসহ বিভিন্ন এমএফএস অ্যাকাউন্ট ও ব্যাংক হিসাব নম্বর পাঠায়।
পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে সাইফুল ইসলাম বিকাশ ও নগদসহ এমএফএস অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং ব্যাংক হিসাব নম্বরগুলোতে ২৫ লাখ টাকা পাঠান। মোট ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হয়। এরপর রাসেলকে রিয়াদের একটি সড়কে অচেতন অবস্থায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা। যাওয়ার সময় তারা রাসেলের হাতের ছাপ ও আকামা আইডিও নিজেদের কাছে রেখে দেয় এবং ঘটনা প্রকাশ করলে ফের হত্যার হুমকি দেয় চক্রের সদস্যরা।
পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের পর রাসেলের শ্বশুর গত ২১ জানুয়ারি খিলগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর হলে অপহরণকারীদের দেওয়া এমএফএস ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে তদন্ত করতে থাকে। সিআইডি দেশের ভেতরে ও সৌদি আরবে জড়িতদের শনাক্ত করা শুরু করে।
সিআইডি আরও জানায়, তদন্তে নিশ্চিত হয়ে সিআইডি জিয়াউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন—সৌদি আরবের অজ্ঞাত অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগসাজশে তিনি মুক্তিপণ থেকে ৫ লাখ টাকা কমিশন পেয়েছেন।
সিআইডি জানায়, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চক্রের বাকি সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান চলমান রয়েছে।

সৌদি আরবে অপহরণের পর বাংলাদেশে বসে মুক্তিপণ আদায়—এমন চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. জিয়াউর রহমান (৪২)।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মাগুরার শালিখা উপজেলার শানাথীন হরিপুর বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সৌদি আরবের রিয়াদে গত ১২ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা রাসেল নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে অপহরণ করে। রাসেল প্রায় ২০ বছর ধরে সৌদি আরবে ব্যবসা করে আসছিলেন।
অপহরণের পর একটি অজ্ঞাত ইমো আইডি ও ভিওআইপি নম্বর থেকে রাসেলের বড় ভাই সাইফুল ইসলামের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না দিলে রাসেলকে হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হয়। চক্রটি অর্থ পাঠানোর জন্য বিকাশ ও নগদসহ বিভিন্ন এমএফএস অ্যাকাউন্ট ও ব্যাংক হিসাব নম্বর পাঠায়।
পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে সাইফুল ইসলাম বিকাশ ও নগদসহ এমএফএস অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং ব্যাংক হিসাব নম্বরগুলোতে ২৫ লাখ টাকা পাঠান। মোট ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হয়। এরপর রাসেলকে রিয়াদের একটি সড়কে অচেতন অবস্থায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা। যাওয়ার সময় তারা রাসেলের হাতের ছাপ ও আকামা আইডিও নিজেদের কাছে রেখে দেয় এবং ঘটনা প্রকাশ করলে ফের হত্যার হুমকি দেয় চক্রের সদস্যরা।
পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের পর রাসেলের শ্বশুর গত ২১ জানুয়ারি খিলগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর হলে অপহরণকারীদের দেওয়া এমএফএস ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে তদন্ত করতে থাকে। সিআইডি দেশের ভেতরে ও সৌদি আরবে জড়িতদের শনাক্ত করা শুরু করে।
সিআইডি আরও জানায়, তদন্তে নিশ্চিত হয়ে সিআইডি জিয়াউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন—সৌদি আরবের অজ্ঞাত অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগসাজশে তিনি মুক্তিপণ থেকে ৫ লাখ টাকা কমিশন পেয়েছেন।
সিআইডি জানায়, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চক্রের বাকি সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান চলমান রয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।