
প্রতিবেদক, বিডিজেন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম পর্তুগালে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য দেশটির অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন এবং দক্ষ ও আধা-দক্ষ উভয় ধরনের কর্মী নিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পর্তুগিজ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রতিমন্ত্রী গতকাল সোমবার সেনেগালের ডাকার শহরে অনুষ্ঠিত ‘আফ্রিকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক ডাকার আন্তর্জাতিক ফোরাম’-এর সাইডলাইনে পর্তুগালের পররাষ্ট্র ও সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আনা ইসাবেল জাভিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
তারা ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সেনেগালের প্রেসিডেন্ট বাসিরু দিয়োমায়ে ফায়ে দুই দিনের এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম পর্তুগালে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য দেশটির অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন এবং দক্ষ ও আধা-দক্ষ উভয় ধরনের কর্মী নিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পর্তুগিজ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রতিমন্ত্রী গতকাল সোমবার সেনেগালের ডাকার শহরে অনুষ্ঠিত ‘আফ্রিকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক ডাকার আন্তর্জাতিক ফোরাম’-এর সাইডলাইনে পর্তুগালের পররাষ্ট্র ও সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আনা ইসাবেল জাভিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
তারা ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সেনেগালের প্রেসিডেন্ট বাসিরু দিয়োমায়ে ফায়ে দুই দিনের এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”