
বিডিজেন ডেস্ক

সুনামগঞ্জ ও দিনাজপুর জেলায় পৃথক বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সুনামগঞ্জে ৩ জনের মৃত্যু
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দেখার হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই জনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন- উপজেলার পান্ডার গাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম পলিরচর গ্রামের চাঁন মিয়ার ছোট ছেলে মো. জালাল মিয়া এবং একই গ্রামের মো. নুরুল হকের বড় ছেলে মো. জসিম উদ্দিন।
অন্যদিকে একই দিনে জামালগঞ্জ উপজেলায় আরেক দফা বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালাগুজা গ্রামের সামনে নয়া হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে শরীফ মিয়া (৪০)।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাতে আব্দুল লতিফ মাছ ধরতে গ্রামের সামনে নয়া হাওরে গেলে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
দিনাজপুরে ২ জনের মৃত্যু
দিনাজপুর জেলার সদরের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ৭ নম্বর উথরাইল ইউনিয়নের গোবীনাথপুর কাসারিপাড়া এলাকা এবং ১ নম্বর চেহেলগাজী ইউনিয়নের বড়ইল বনকালি এলাকায় এই ঘটনাগুলো ঘটে।
নিহত ফরিদা আক্তার কাসারিপাড়া এলাকার রহমান বাবুর মেয়ে। সে স্থানীয় গোদাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনির ছাত্রী।
অন্যজন, বিকাশ চন্দ্র রায় (৩২) বনকালি এলাকার দক্ষিপাড়ার বাসিন্দা রতিপদ রায়ের ছেলে।
জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে পায়ে হেঁটে বাড়িতে ফেরার সময় বিকাশের ওপর বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই বিকাশ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়।

সুনামগঞ্জ ও দিনাজপুর জেলায় পৃথক বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সুনামগঞ্জে ৩ জনের মৃত্যু
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দেখার হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই জনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন- উপজেলার পান্ডার গাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম পলিরচর গ্রামের চাঁন মিয়ার ছোট ছেলে মো. জালাল মিয়া এবং একই গ্রামের মো. নুরুল হকের বড় ছেলে মো. জসিম উদ্দিন।
অন্যদিকে একই দিনে জামালগঞ্জ উপজেলায় আরেক দফা বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালাগুজা গ্রামের সামনে নয়া হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে শরীফ মিয়া (৪০)।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাতে আব্দুল লতিফ মাছ ধরতে গ্রামের সামনে নয়া হাওরে গেলে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
দিনাজপুরে ২ জনের মৃত্যু
দিনাজপুর জেলার সদরের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ৭ নম্বর উথরাইল ইউনিয়নের গোবীনাথপুর কাসারিপাড়া এলাকা এবং ১ নম্বর চেহেলগাজী ইউনিয়নের বড়ইল বনকালি এলাকায় এই ঘটনাগুলো ঘটে।
নিহত ফরিদা আক্তার কাসারিপাড়া এলাকার রহমান বাবুর মেয়ে। সে স্থানীয় গোদাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনির ছাত্রী।
অন্যজন, বিকাশ চন্দ্র রায় (৩২) বনকালি এলাকার দক্ষিপাড়ার বাসিন্দা রতিপদ রায়ের ছেলে।
জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে পায়ে হেঁটে বাড়িতে ফেরার সময় বিকাশের ওপর বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই বিকাশ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।