
বিডিজেন ডেস্ক

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় (১ অক্টোবর সকাল থেকে ২ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত) বাংলাদেশে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৭ জন।
বুধবার (২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬০১ জন, আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৪১৬ জন রোগী।
এ বছর আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৫১ দশমিক ১ শতাংশ নারী।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩৩ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ নারী।

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় (১ অক্টোবর সকাল থেকে ২ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত) বাংলাদেশে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৭ জন।
বুধবার (২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬০১ জন, আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৪১৬ জন রোগী।
এ বছর আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৫১ দশমিক ১ শতাংশ নারী।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩৩ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ নারী।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”