
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বুলেটিনে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, ফেনী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় একটি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু জায়গা থেকে তা হ্রাস পেতে পারে।
সকাল ৯টা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সারাদেশে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বুলেটিনে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, ফেনী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় একটি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু জায়গা থেকে তা হ্রাস পেতে পারে।
সকাল ৯টা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সারাদেশে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”