
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের দ্বীপ জেলা ভোলার ২০০ বছরের ঐতিহ্য মহিষের দুধের কাঁচা টক দই বা ‘মইষা দই’ জিওগ্রাফিকাল আইডেনটিফিকেশন (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ২৯ নম্বর শ্রেণিতে জিআই-৫৫ হিসেবে স্বীকৃতি পায় মইষা দই। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া ৫৫তম পণ্য এটি।
পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর মহিষের দুধের কাঁচা দইকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরে আবেদন করেছিলেন ভোলার তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. আরিফুজ্জামান।
দীর্ঘদিন পর এ স্বীকৃতি পাওয়ায় জেলার দই ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, মহিষের দুধের কাঁচা দই ভোলার ঐতিহ্য। এই দইয়ের স্বীকৃতি অন্য জেলায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভোলা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের চেষ্টায় এটি জিআই-৫৫ নম্বরে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। জিআই হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এই পণ্যটি ভোলার বলে চিহ্নিত হয়েছে।
জিআই কী
কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কোনো একটি পণ্য চেনার জন্য জিআই স্বীকৃতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পণ্যের বিস্তারিত না জানলেও খ্যাতির ওপর নির্ভর করেই সেই পণ্যটি ব্যবহার করতে পারেন ভোক্তারা।
বাংলাদেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে। দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। এরপর একে একে জিআই পণ্য হিসেবে গত ১০ বছরে স্বীকৃতি পায় ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম ও নাটোরের কাঁচাগোল্লাসহ আরও কয়েকটি পণ্য।
গবেষকদের মনে করেন, কোনো পণ্যের জিআই হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রথম গুরুত্ব হলো এর মাধ্যমে কোনো পণ্য কোনো নির্দিষ্ট এলাকার বলে চিহ্নিত হয়। এর বৈশ্বিক স্বীকৃতি মেলে। দ্বিতীয় গুরুত্ব হলো, এর মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা হয়। পণ্যটি যখন বাইরের দেশে পাঠানো হয়, তখন জিআই স্বীকৃতি পণ্যের মান ও দাম নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের জিআই স্বীকৃতি যত দ্রুত করা যায়, তত ভালো। যেমন বাংলাদেশের জামদানি শাড়ি এবং ইলিশ প্রায় হাতছাড়া হতে যাচ্ছিল। ভারতের ‘জামদানি’ জিআই স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছিল।
পরে অবশ্য ওই জামদানি ‘উপধা জামদানি’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আর বাংলাদেশের জামদানি ‘জামদানি শাড়ি’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

বাংলাদেশের দ্বীপ জেলা ভোলার ২০০ বছরের ঐতিহ্য মহিষের দুধের কাঁচা টক দই বা ‘মইষা দই’ জিওগ্রাফিকাল আইডেনটিফিকেশন (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ২৯ নম্বর শ্রেণিতে জিআই-৫৫ হিসেবে স্বীকৃতি পায় মইষা দই। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া ৫৫তম পণ্য এটি।
পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর মহিষের দুধের কাঁচা দইকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরে আবেদন করেছিলেন ভোলার তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. আরিফুজ্জামান।
দীর্ঘদিন পর এ স্বীকৃতি পাওয়ায় জেলার দই ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, মহিষের দুধের কাঁচা দই ভোলার ঐতিহ্য। এই দইয়ের স্বীকৃতি অন্য জেলায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভোলা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের চেষ্টায় এটি জিআই-৫৫ নম্বরে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। জিআই হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এই পণ্যটি ভোলার বলে চিহ্নিত হয়েছে।
জিআই কী
কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কোনো একটি পণ্য চেনার জন্য জিআই স্বীকৃতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পণ্যের বিস্তারিত না জানলেও খ্যাতির ওপর নির্ভর করেই সেই পণ্যটি ব্যবহার করতে পারেন ভোক্তারা।
বাংলাদেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে। দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। এরপর একে একে জিআই পণ্য হিসেবে গত ১০ বছরে স্বীকৃতি পায় ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম ও নাটোরের কাঁচাগোল্লাসহ আরও কয়েকটি পণ্য।
গবেষকদের মনে করেন, কোনো পণ্যের জিআই হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রথম গুরুত্ব হলো এর মাধ্যমে কোনো পণ্য কোনো নির্দিষ্ট এলাকার বলে চিহ্নিত হয়। এর বৈশ্বিক স্বীকৃতি মেলে। দ্বিতীয় গুরুত্ব হলো, এর মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা হয়। পণ্যটি যখন বাইরের দেশে পাঠানো হয়, তখন জিআই স্বীকৃতি পণ্যের মান ও দাম নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের জিআই স্বীকৃতি যত দ্রুত করা যায়, তত ভালো। যেমন বাংলাদেশের জামদানি শাড়ি এবং ইলিশ প্রায় হাতছাড়া হতে যাচ্ছিল। ভারতের ‘জামদানি’ জিআই স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছিল।
পরে অবশ্য ওই জামদানি ‘উপধা জামদানি’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আর বাংলাদেশের জামদানি ‘জামদানি শাড়ি’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”